বগুড়া প্রতিনিধি:
বগুড়ার এরুলিয়া মহাসড়কে আলোচিত শাহ ফতেহ আলী বাস দুর্ঘটনায় সাতজন নিহত ও ১৪ জন আহত হওয়ার মামলার প্রধান পলাতক আসামি বাসচালক মো. নেছারুল ইসলামকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১২।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ভোর আনুমানিক ৪টা ২৫ মিনিটে বগুড়ার শিবগঞ্জ থানাধীন দহপাড়া সৈয়দপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। র্যাব-১২-এর সিপিএসসি বগুড়ার একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেপ্তার নেছারুল ইসলাম বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার আগুনিয়া তাইড় গ্রামের মৃত আয়েজ উদ্দিনের ছেলে।
র্যাবের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ৭ আগস্ট সকাল ৬টার দিকে শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের এসি বাসটি (ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-০১৩১) দ্রুত ও বেপরোয়া গতিতে চালিয়ে এরুলিয়া বাজারে প্রধান সড়কের পাশে এরুলিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ফুটপাতে অবস্থানরত ডে-লেবারদের ওপর উঠিয়ে দেওয়া হয়। এতে ঘটনাস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠান।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিনই চিকিৎসক সাতজনকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় আরও ১৪ জন আহত হন।
দুর্ঘটনার পর বাসচালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পরে ৮ আগস্ট বগুড়া সদর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করা হয়। মামলাটি ৯৮/১০৫ ধারায় দায়ের করা হয় বলে র্যাব জানিয়েছে।
মামলার পর থেকেই পলাতক চালক নেছারুল ইসলামকে গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা তৎপরতা চালিয়ে আসছিল র্যাব। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার অবস্থান শনাক্ত করে বৃহস্পতিবার ভোরে শিবগঞ্জের দহপাড়া সৈয়দপুর এলাকায় মো. রশিদ নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর নেছারুল ইসলামকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বগুড়া সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-১২ জানায়, অপরাধীদের গ্রেপ্তারে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।


Post a Comment