Top News

দীর্ঘ ১৯ঘন্টা পর সোনাতলা রেলওয়ে স্টেশন পুনরায় সচল

 


ছবি:বিজয় ২১ নিউজ


সোনাতলা (বগুড়া)প্রতিনিধিঃ  বগুড়ার সোনাতলা রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় রেলওয়ের জায়গায় পাবলিক টয়লেট নির্মাণকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে প্রায় দীর্ঘ ১৯ ঘণ্টা স্টেশনের কার্যক্রম বন্ধ থাকার পর পুনরায় সচল হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোনাতলা রেলওয়ে স্টেশনের হরিজন পাড়া সংলগ্ন এলাকায় কয়েকদিন ধরে একটি পাবলিক টয়লেট নির্মাণের কাজ চলছিল। গত বুধবার দুপুর দেরটার দিকে বিষয়টি রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে আসে। পরে স্টেশন মাস্টার রবিউল ইসলাম সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন।

নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের সঙ্গে রেলওয়ের কর্মকর্তাদের উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি স্টেশন মাস্টারের কক্ষে গিয়ে কর্তব্যরত কর্মীদের সঙ্গে কথাকাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। এতে স্টেশনে কর্তব্যরত এক পিম্যানের মুখে আঘাত লাগে এবং তাঁর ঠোঁট কেটে যায় বলে জানা গেছে।নির্মাণকাজে নিয়োজিত এক রাজমিস্ত্রি জানান,উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উদ্যোগে ওই পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করা হচ্ছিল। সেখানে জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য কমোড টয়লেট, গোসলখানা ও সাধারণ টয়লেট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে রেলওয়ের লোকজন এসে নির্মাণাধীন স্থাপনার কিছু অংশ ভেঙে দেন বলে তিনি দাবি করেন।এদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ভাবে দেন-দরবার শুরু হয়। গত বুধবার সন্ধ্যার দিকে স্থানীয় যুবদলের অন্যতম নেতা কামরুল‌ হাসান বাবু স্থানীয়দের পক্ষে রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি একটি অঙ্গীকারনামা দেন। এতে করে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও স্টেশনের কার্যক্রম পরের দিন বৃহস্পতিবার পুনরায় চালু করা হয়।

সোনাতলা রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার রবিউল ইসলাম বলেন, বাবু ভাই এসে অঙ্গীকারনামা সহ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি একটি অঙ্গীকারনামা দিয়েছেন। তিনি বগুড়ায় আইডব্লিউ (I.W.) স্যারের সঙ্গে দেখা করবেন। আপাতত উদ্ভূত পরিস্থিতি মিটে গেছে। অচল স্টেশনের কার্যক্রম এখন সচল হয়েছে।

তবে রেলওয়ের জায়গায় পাবলিক টয়লেট নির্মাণের বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও অনুমোদনের বিষয়টি কীভাবে নিষ্পত্তি হবে,তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা চলছে।

Post a Comment

Previous Post Next Post